আর্টিকেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আর্টিকেল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

National Geographic Photography Contest 2010 Places ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে চট্রগ্রাম পোর্টের ছবি

প্রাকৃতিক বিষয়ক বিশ্বের প্রথম সারির পত্তিকা/টিভি চ্যানেল ন্যাশনাল জিওগ্রাফি পত্তিকা প্রতি বছর Nature ,People এবং Places এই তিন ক্যাটাগরিতে ফটোগ্রাফী প্রতিযোগীতার আয়োজন করে থাকে যাতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ফটোগ্রাফাররা তাদের সেরাটা বিচারকদের সামনে উপস্হাপন করে থাকে যার মধ্য থেকে তিন ক্যাটাগরি থেকে ৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় তবে বিজয়ী হোক বা না হোক প্রতিটি ছবিই মাথা ঘুরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট 

২০১০ সালের National Geographic Photo Contest এ Places ক্যাটাগরিতে এবার প্রথম হয়েছে আমাদের চিটাগাং পোর্টের নিচের ছবিটি
 
উপরের ছবিটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার Jana Asenbrennerova ,ছবিটি আসলেই অসাধারণ নিজেও অনেকবার চিটাগাং পোর্ট দেখেছি কিন্তু এইভাবে ফটোগ্রাফারের চোখে কখনো দেখিনি সত্যি অসাধারণ
ছবিটি সম্পর্কে বিচারকদের মন্তব্য এবং বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিকান 

 People ক্যাটাগরিতে যে ছবিটি বিজয়ী হয়েছে সেটি হলো  ফটোগ্রাফার Chan Kwok Hung এর নিচের ছবিটি 




আর Nature ক্যাটাগরিতে জয়ী হয়েছে Lim Boon Teck , Aaron এর নিচের ছবিটি
national Geographic Contest



সামনে ন্যাশনাল জিওগ্রাফী ফটোগ্রাফি কনটেস্ট এ জয়ী হতে পারেনি কিন্তু দেখলে মাথা ঘুরে যাবার মতো সেই ধরনের ছবি গুলো নিয়ে আরেকটা পোস্ট দিবো ইনশাল্লাহ সবাই ভালো থাকবেন

রাহাত ফাতেহ আলী খান :নুসরাস ফাতেহ আলী খানের যৌগ্য উত্তরসুরী

নুসরাত ফাতেহ আলী খানকে নিয়ে না লিখলেও হয়তো চলবে কাওয়ালী দুনিয়ার শাহানশাহ বলা হয় নুসরাত ফাতেহ আলী খানকে ।
উনার সম্পর্কে জানতে উইকিতে টোকা মারুন
নুসরাত ফাতহে আলী খানের এই গানটি দেখলেই বুঝতে পারবেন তার গলার কাজ

 
আর এই কিংবদন্তী গায়কের ভাইপো হলো আরেক কিংবদন্তী রাহাত ফাতেহ আলী খান আমি যার অনেক বড় ফেন
নুসরাত ফাতেহ আলী খানের মতোই রাহাত খানের আধুনিক গানগুলোতেও কাওয়ালী ভাব পাওয়া যায় আর এই দুইয়ে অসাধারণ মিউজিক তৈরী হয়।

রাহাত ফাতেহ আলী খান ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে জন্মগ্রহন করেন এবং তার চাচা নুসরাত ফাতেহ আলী খানের নিবিড় পর্যবেক্ষণে গড়ে উঠেন ।




মাত্ত ১০ বছর বয়সে উনি তার চাচা নুসরাতের সাথে ইংল্যান্ডের এক প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করেন ।তারপর ১৫ বছর বয়সে তিনি তার চাচার মিউজিক দলে অফিসিয়ালী অংশগ্রহণ করেন ১৯৯৭ সালে তার চাচা নুসরাত মারা যা্ওয়ার পর তিনি দলের হাল ধরেন

কিন্তু ২০০৪ সালে বলিউডের পাপ সিনেমার লগে তুমসে মন লাগে গানের মধ্য দিয়ে অভিষেক হবার পর তার জনপ্রিয়তা আরও ছড়িয়ে যায় তিনি বলিউডে তার জায়গা পাকাপোক্ত করে নেন একের পর এক জনপ্রিয় গান গাইতে থাকেন যেমন Jiya Dhadak Dhadak Jaaye,Bol Na Halke Halke,Jag Soona Soona Lage,Teri Ore,Ajj Din Chadheya,Surili Akhiyon Wale,Sajda etc

বর্তমানে অধিকাংশ বলিউড মুভিতেই তার গান পাওয়া যায় ।তার গানের সুফি ভাব সত্যিই অসাধারন

তিনি ইন্টারন্যাশনাল পযার্য়েও কাজ করেছেন ১৯৯৫ সালে কাজ করছেন ডেড ম্যান ওয়াকিং ছবিতে এছাড়াও হলিউডের বিভিন্ন শিল্পীর সাথে কাজ করেছেন
নিচের গানটি আ্লী আজমতের গান বারাস বারাস সাওয়ান গির আয়ো রাহাত ফাতেহ আলী খান একসাথে গেয়েছেন ।অসাধারন মিউজিক কম্পজিউশন শুনে দেখুন



এই লিংকে নুসরাত ফাতেহ খানের সবকিছু একসাথে পাবেন

আর এখানে পাবেন রাহাত ফাতেহ আলী খান এর সব গান একসাথে

মেয়েটির সামনে অপেক্ষা করছে কয়েকজন মানিব্যাগ তরুণ আর ছেলেটির সামনে অপেক্ষা করছে একটি পুরো অনাহারী মাস

আজকে সকালে একটা মার্কেটে গেলাম গেন্জি কিনতে তারপর কয়েকটা দোকান দেখার পর একটা গেন্জি পছন্দ হলো গেন্জিটার মধ্যখানে বড় করে ব্লক বসানো আছে কিনে ফেললাম কিনার পর খেয়াল করলাম গেন্জিতে একটা কবিতা লেখা আছে মুলত কবিতাটার আবহ আনার জন্যই বাকী ব্লকটা বসানো হয়েছে। কবিতাটাও মজার আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম

ছেলেটি মেয়েটি
             –তারেক মাহমুদ
মেয়েটি ছেলেটিকে পটাচ্ছে
ছেলেটি পটছে
সামনে একটা ফাস্টফুডের দোকান
মেয়েটি ছেলেটিকে নিয়ে সেখানে গিয়ে বসলো
ডেস্কের নিচে ছেলেটির পা ছুয়ে দিলো মেয়েটির পা
হাত দিয়ে ছুয়ে দিলো ছেলেটির গাল
চাকুরে ছেলেটি আজ মাইনে পেয়েছে
তার পকেট খালি হচ্ছে
কিছুক্ষণ পর তারা ফাস্টফুট শপ থেকে বেরিয়ে এলো
সামনে একটি জুয়েলারীর দোকান
মেয়েটি ছেলেটিকে নিয়ে সেখানে ঢুকলো
কিছুক্ষণ পর তারা বেরিয়ে এলো
বেরিয়েই মেয়েটি আশ্চর্যভাবে বলে উঠলো
ও হো একটা জরুরী কাজের কথা মনে পড়ে গেলো
আজ নয় লক্ষীটি আরেকদিন প্লিজ
বলেই মেয়েটি একটা স্কুটারে উঠে পড়লো
উঠেই মেয়েটি ছেলেটিকে বললো
তোমার কাছে খুচরো হবে খুচরো
ছেলেটি নিশ্চয়ই বলে স্কুটারের ভাড়া দিয়ে দিলো
স্কুটার মেয়েটিকে নিয়ে সাই সাই করে ছুটে চললো
মেয়েটির সামনে অপেক্ষা করছে কয়েকজন মানিব্যাগ তরুণ
আর ছেলেটির সামনে অপেক্ষা করছে একটি পুরো অনাহারী মাস

ছবি কথা বলে ,চিৎকার করে বলে, আমাদেরকে বলে……………





এই পিকচারটা অনেক আগেই আমি একটা পত্তিকাতে দেখেছিলাম আজকে হঠাৎ অজানা কোনো এক কারণে আমার এই ছবিটার কথা মনে পড়ে যায় তারপর নেটে সার্চ দিয়ে ছবিটা বের করলাম ।এই ছবিটা হচ্ছে বিশ্বের বিখ্যাত এবং পৃথিবী কাপানো ছবিগুলোর মাঝে একটা। এই ছবিটা তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার Kevin Carter ।

Kevin Carter এই ছবিটি তুলেছিলেন ১৯৯৪ সালে সুদানে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের কাছে।ছবিটার মানে কি জানেন ??




শকুনটা অপেক্ষা করছে ছোট্র শিশুটার মৃত্যুর জন্য কারন মৃত্যুর পর শকুনটা এই শিশুটার শরীরের মাংশ খাবে

এই ছবিটা তখন সারাদুনিয়াতে আলোড়ন তুলেছিল তবে শিশুটার শেষপরিণতি কি হয়েছিল তা কেউ জানতে পারেনি এমনকি Kevin Carter ও না।এই ছবিটা Pulitzer Prize পেয়েছিল।ফটোগ্রাফার Kevin carter এই ছবিটা তোলার ৩ মাস পর সুইসাইড করে মারা গিয়েছিল ।পরে জানা গেছে ছবিটা তোলার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন এবং এই কারনেই তিনি সুইসাইড করেন।
অনেকেই এই ছবিটা দেখে অবাক হবেন মন খারাপ করবেন কিন্তু এই রকম হাজার হাজার শিশু আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন সুদান ইরাক আফগানিস্তানে মারা যাচ্ছে মারা যাচ্ছে না খেয়ে পেটের খিদায় ৪/৫ ঘন্টা ছটপট করতে করতে বা বোমার আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে কল্পনা করতে পারেন ব্যাপারটা ??

আমার ব্যক্তিগতভাবে ছবিটা দেখার পর অনেক খারাপ লেগেছে।আপনাদের মন্তব্য আশা করছি।সবাই ভাল থাকবেন আর অসহায় দুস্হ মানুষের পাশে থাকবেন।

ইন্টেল নিয়ে আসছে 32mm এর নতুন প্রসেসর new i3, i5

জানুয়ারীর ৭ তারিখে অনুষ্টিত Consumer Electronics Show in Las Vegas এ বিশ্বের সবচেয়ে বেশী মাইক্রোপ্রসেসর উৎপাদেনকারি কোম্পানি ইন্টেল নিয়ে আসছে সম্পূর্ণ নতুন দুটি প্রসেসর i3 এবং i5 ।এই প্রসেসর গুলো হবে বিশ্বের সর্বপ্রথম ৩২ মিমি এর প্রসেসর ।এর আগে ইন্টেল এর কোর টু ডুয়ো ছিল ৪২ মিমি এর প্রসেসর।

প্রধান শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে আব্রাহাম লিংকনের লেখা সেই বিখ্যাত চিঠিটি





মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম. তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন - এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি.
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন - সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়. তাকে এও শেখাবেন, প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নি:স্বার্থ নেতা থাকে. তাকে শেখাবেন, পাচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মূল্যবান. এও তাকে শেখাবেন, কিভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কিভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়. হিংসা থেকে দুরে থাকার শিক্ষাও তাকে দেবেন. যদি পারেন নিরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন. সে যেন আগেভাগেই এ কথা বুঝতে শেখে - যারা পীড়নকারী তাদেরকেই সহজে কাবু করা যায়. বইয়ের মাঝে কি রহস্য লুকিয়ে আছে, তাও তাকে বুঝতে শেখাবেন.

আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক. নিজের ওপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে. এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে.
 

তাকে শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে. আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায় - হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না করার. সে যেন সবার কথা শোনে এবং তা সত্যের পর্দায় ছেকে যেন ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে - এ শিক্ষাও তাকে দেবেন.
 

সে যেন শিখে দু:খের মাঝে কিভাবে হাসতে হয়. আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই এ কথা তাকে বুঝতে শেখাবেন. যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে যেন ঘৃনা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশে থেকে সাবধান থাকে.

আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেন না, কেননা আগুনে পুরেই ইস্পাত খাটি হয়. আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে, থাকে যেন সাহসী হওয়ার ধৈর্য. তাকে এ শিক্ষাও দেবেন - নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানব জাতির প্রতি.

ইতি
আপনার বিশ্বস্ত
আব্রাহাম লিঙ্কন


Most Dangerous Roads in the World





সবকিছুর ব্যাপারে বর্ননা দেয়া লাগেনা।আমার মনে হয় এই পোস্টটিও এইরকমই।তাই বর্ননা দিলাম না।সহজ ভাষায় বললে বলতে পারেন ফটো ব্লগ।
Highway of death 










এগুলোকে সহজ ভাষায় বলা যায় Highway of death.পরবর্তী পোস্টে বাকী ছবিগুলো দেব।সবাই ভাল থাকবেন।